ad728

মাওনা চৌরাস্তা ফ্লাইওভারের নিচে গভীর রাতে মাদক ও অনৈতিক কর্মকান্ডের আড্ডাস্থল।


FavIcon
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত : ০৯ অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ছবির ক্যাপশন: ad728

মোঃ মিন্টু মিয়া, বিশেষ প্রতিনিধি গাজীপুর:
গাজীপুরের শ্রীপুর ফ্লাইওভারের নিচে গগুরুত্বপূর্ণ স্থান।
এখানে দিনের বেলায় ভাসমান চৌকিতে প্রতিনিয়ত হকারদের অস্থায়ী দোকান বসে।অভিযোগ রয়েছে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় এসব হকারদের কাছ থেকে মোটা অংকের চাঁদা আদায় করা হয়। উপজেলা প্রশাসনের অভিযান ও চাঁদায়ের তথ্যের কোনও নাম উঠে আসেনি,তবুও থেমে নেই ফ্লাইওভারের নিচের দখল বাণিজ্য। 
 দিনের আলোয় এসব স্থানে চলে নানা ধরনের হকারি ব্যবসা।স্থানীয়দের অভিযোগ,রাত গভীর হওয়ার সাথে সাথে এসব অস্থায়ী স্থাপনার কিছু জায়গা অপরাধীদের আড্ডাস্থলে পরিণত হয়।
সন্ধ্যার পর ফ্লাইওভারের নিচের কয়েকটি অংশে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা না থাকায় এখানে অন্ধকার ও নির্জন পরিবেশ তৈরি হয়।
এ সুযোগে সেখানে মাদক সেবী ও মাদক কারবারীদের আড্ডা চোখে পড়ে।দূর দূরান্তে থেকে ভাসমান মাদক সেবনকারী এখানে এসে মাদক সেবন,জুয়া,ছিনতাই ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডে এখান পুরো দস্তে জমে ওঠে। 
কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা তথ্য মতে দিনের বেলায় ব্যবসার কাজে ব্যবহৃত এসব চা দোকানের বেঞ্চ-চৌকি ও অস্থায়ী দোকানগুলোর কিছু অংশে রাত হলে অপরিচিত লোকজনের আনাগোনা বেড়ে যায়।
 এসব স্থানে মাদক সেবন ও পতিতাবৃত্তিসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে স্থানীয়দের মতে কিছু ব্যক্তি জড়িত।
এসব মাদক সেবনকারী অভিক্রেতা অপরাধীদের ভয়ে তাদের নাম প্রকাশে অপরাগত প্রকাশ করে। 

মাওনা চৌরাস্তা উড়াল সেতুর নিচে স্থানীয়দের অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই এবং নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিয়ত  নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণ। 

এলাকাবাসীর প্রশ্ন,জনগণের চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থানে দিনের বেলায় স্থাপিত এসব ভাসমান দোকান ও বেঞ্চ-চৌকি রাতে এগুলো একত্র করে মাদক সেবনকারীদের নিরাপদ স্থান বাউন্ডারি বা দেয়াল তৈরি করে এর ভিতর কীভাবে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সুযোগ তৈরি করছে,যেন দেখার কেউ নেই। উড়াল সেতুর নিচে এভাবে এসব স্থাপনা বসানোর অনুমতি রয়েছে কি না এবং রাতে সেখানে কী ধরনের কর্মকাণ্ড চলছে, তা খতিয়ে দেখার দাবি অত্র এলাকায় বসবাসকারী স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং সাধারণ পথচারীদের। 

স্থানীয়দের মতে, নিয়মিত পুলিশি টহল জোরদার,পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা,সিসি ক্যামেরা এবং অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হলে মাওনা ফ্লাইওভারের নিচের পরিবেশ অনেকটাই নিরাপদ করা সম্ভব।
তা না হলে মাওনা চৌরাস্ত উড়াল সেতুর উভয় পাশ নিচে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ অপকর্মের সর্গরাজ্যে পরিণত হবে।

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ