ad728

পুটিজানার ১১৮ মসজিদ ও ২১ পূজামণ্ডপে সাদ্দাম খানের উপহার বিতরণ


FavIcon
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত : ১৬ অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ছবির ক্যাপশন: ad728



ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:
ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার ২ নং পুটিজানা ইউনিয়নের ১১৮টি মসজিদ ও ২১টি পূজামণ্ডপে নগদ অর্থ উপহার হিসেবে বিতরণ করা হয়েছে। ইউনিয়নের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশে দাঁড়ানো, পারস্পরিক সম্প্রীতি জোরদার এবং সামাজিক সহযোগিতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল ১১টায় কেশরগঞ্জ বাজারের সুইচগেট এলাকায় অবস্থিত শাফি ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের একটি কক্ষে পুটিজানা ইউনিয়ন উন্নয়ন ফোরামের আয়োজনে এ অর্থ বিতরণ করা হয়। এতে অর্থায়ন করেন পুটিজানা ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী ও সিঙ্গাপুরপ্রবাসী রাজিব হোসাইন সাদ্দাম খান।
আয়োজক সূত্রে জানা যায়, ইউনিয়নের ১১৮টি মসজিদ ও ২১টি পূজামণ্ডপসহ মোট ১৩৯টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে এ উপহার পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। মুসলিম ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি সম্মান জানানো এবং সামাজিক সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় করাই এ উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য।
স্থানীয়রা জানান, পুটিজানা ইউনিয়নের সব মসজিদ ও পূজামণ্ডপকে অন্তর্ভুক্ত করে এ ধরনের উদ্যোগ তাঁদের নজরে ব্যতিক্রমী। তাঁদের মতে, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি সহযোগিতার পাশাপাশি এ উদ্যোগ বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহাবস্থান ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
দল মত নির্বিশেষে মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয়
সিঙ্গাপুরপ্রবাসী রাজিব হোসাইন সাদ্দাম খান দীর্ঘদিন ধরে পুটিজানা ইউনিয়নের মানুষের বিভিন্ন প্রয়োজনে আর্থিক সহযোগিতা করে আসছেন বলে তাঁর ঘনিষ্ঠজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে দল মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।
সাদ্দাম খানের  তিনি এক বার্তায় বলেন, আমি পুটিজানা ইউনিয়নের সন্তান। প্রবাসে থাকলেও এ ইউনিয়নের মানুষের প্রতি আমার দায়িত্ব ও ভালোবাসা রয়েছে। মানুষের সুখে দুঃখে পাশে থাকতে চাই। দল মত, ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে ইউনিয়নের মানুষের প্রয়োজন ও সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করে যেতে চাই। মানুষের কল্যাণে কাজ করা এবং ইউনিয়নের উন্নয়নে ভূমিকা রাখাই আমার লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও পুটিজানাবাসীর সেবা করে যেতে চাই।
নেতৃবৃন্দ বলেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো সমাজের মানুষের নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সামাজিক বন্ধন তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই সব ধর্মের উপাসনালয়ের প্রতি সমান শ্রদ্ধা প্রদর্শন এবং সহযোগিতার মাধ্যমে একটি সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এ আয়োজন করা হয়েছে।
তাঁরা আরও বলেন, সমাজের বিত্তবান ও প্রবাসীরা নিজ নিজ এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ালে স্থানীয় উন্নয়ন ও মানবিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে। পুটিজানা ইউনিয়নে পারস্পরিক সহযোগিতা, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত থাকবে এমন প্রত্যাশা তাঁদের।

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ